বাংলাদেশের রাজনীতির সাথে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর পরিবার অনেক আগে থেকেই জড়িত রয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ভাইও একজন পৌরসভার মেয়র। তার নিজ এলাকায় তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়। এছাড়া প্রথম থেকেই তিনি তার নিজ এলাকায় অনেক কাজ করেছেন। তবে এবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ভাইকে নিয়ে আলোচনা দেখা দিয়েছে। তিনি এবার একটি প্রস্তাবিত কমিটি থেকে নিজের নাম ঘৃণা মনে প্রত্যাখ্যান করেছেন। আর এবার প্রস্তাবিত কমিটি থেকে তার নাম প্রত্যাখ্যান করার কারণ জানা গেল।

নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটিতে নিজের নাম ঘৃণা মনে প্রত্যাখ্যান করেছেন বাংলাদেশ আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা। প্রস্তাবিত কমিটিতে তাকে সহসভাপতি হিসেবে রাখা হয়েছে।

বুধবার (১১ নভেম্বর) সকাল ১১টায় বসুরহাট পৌরসভা হলরুমে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগ কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, আমি পদে থাকবো না। কারণ প্রস্তাবিত কমিটিতে ত্যাগী নেতা স্থান পায় নাই। আজকে অপশক্তি স্থান দখল করেছে। আজকে জাতীয় নেতারাও সত্য কথা বলে না। আজকে যারা তোষামোদ করে তারা নেতা। অপশক্তিকে কোন প্রশ্রয় দেয়া হবে না। আমার বড় কোন পদের দরকার নেই। যতদিন বেঁ’চে থাকবো অন্যায় অবিচার অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলে যাব। কোন অন্যায়ের কাছে মা’থা নত করবো না।

তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী জেলা আ’লীগের সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনকে সর্বোচ্চ ত্যাগী নেতা উল্লেখ করে জেলা আ’লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখার দাবি জানান।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান, সহসভাপতি ইস্কান্দার হায়দার চৌধুরী বাবুল, সাধারণ সম্পাদক নুরনবী চৌধুরী, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক নাজিম, বসুরহাট পৌরসভা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবিএম ছিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আজম পাশা চৌধুরী রুমেল, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক গোলাম ছারোয়ার, পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি লুৎফুর রহমান মিন্টা, সাধারণ সম্পাদক সামছুদ্দিন নোমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন মুন্না, সাধারণ সম্পাদক শাহ্ ফরহাদ লিংকন, পৌর ছাত্রলীগের সভপতি আব্দুল আউয়াল মানিক, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন প্রমুখ। সূত্র:পূর্বপশ্চিমবিডি

উল্লেখ্য, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ভাই রাজনীতিতে শুরু থেকেই সকল অনিয়ম এর বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। আর তিনি সব সময় সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে চলেছেন। তবে এবার এই নজপ্রিয় নেতা কিছু অভিযোগ এনে প্রস্তাবিত কমিটি থেকে নিজের নাম ঘৃণা মনে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেছেন অন্যায় অবিচার অনিয়মের বিরুদ্ধে সব সময় সোচ্চার থাকবো এবং এদের বিরুদ্ধে সব সময় কথা বলে যাবো।