গত সপ্তাহে রাজধানী ঢাকা শহরের কলাবাগান লেক সার্কাস এলাকায় একটি ন্যা’ক্কা’র’জনক ঘটনা ঘটেছে। আর এই ঘটনায় এক ’ও’ লেভেলের শিক্ষার্থীর প্রা’ণ যায়। এই ঘটনার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে এই ঘটনার সাথে জড়িত সন্ধেহে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। এদিকে, এই ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ব্যক্তি ফারদিন দিহান কে নিয়ে সব থেকে বেশি আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। এবার এই ফারদিন দিহানের পরিচয় প্রকাশ্যে এলো।

গ্রুপ স্টাডি করতে গিয়ে বন্ধুর অ’নৈতিক সম্পর্কের শি’কা’র হন ’ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নুর আমিনকে (১৭)। ইতোমধ্যে আদালতের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন অভিযুক্ত ফারদিন ইফতেখার দিহান।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে জানা গেছে, দিহান ও ওই কিশোরীর মধ্যে পরিচয় ছিল দুই বছরের। তাদের পরিবারের মধ্যেও জানাশোনা রয়েছে। শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) তদন্তে নিযুক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

ডিএমপির রমনা বিভাগের নিউ মার্কেট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল হাসান বলেন, ’ফারদিন ইফতেখার দিহানের বাসা রাজধানীর লেক সার্কাস এলাকায়। তার বাবা আব্দুর রব সরকার। তিন ভাইয়ের মধ্যে দিহান সবার ছোট। দিহান ও কিশোরীর মধ্যে দীর্ঘদিন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। দিহান ওই কিশোরীর চেয়ে দুই বছরের বড়। গত বছর ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল থেকে ’ও’ লেভেল শেষ করে দিহান। এখন সে জিইডি’র প্রস্তুতি নিচ্ছিল।’

রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন (ডিসি) বলেন, ’দিহান ও কিশোরীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডিতে তাদের কিছু ছবি পোস্ট করা আছে। ওই কিশোরীর ও নিজের পরিবারের মধ্যে ভালো সম্পর্ক আছে বলেও দাবি করেছে দিহান।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ’তাদের পোস্টগুলো দেখার পর, দিহানের সব কথা অবিশ্বাস করারও সুযোগ নেই।’

জানা গেছে, দিহানের বাসা রাজধানীর কলাবাগান লেক সার্কাস এলাকায়। গ্রামের বাড়ি রাজশাহী জেলার দুর্গাপুরের রাতুগ্রামে। তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুর রব সরকার। তিনি তার বড় ছেলে সুপ্তকে নিয়ে গ্রামে থাকেন। আর মা সানজিদা সরকার শিল্পীর সঙ্গে দিহান ও তার মেজ ভাই নিলয় থাকেন ঢাকায়। নিলয় ব্যাংকে চাকরি করেন।

এদিকে, এই ঘটনার পর সারা দেশে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। ওই কিশোরীর পরিবার এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচান চেয়েছে। আর। তবে এই ঘটনার সাথে আর কেউ জড়িত রয়েছেন কিনা তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আর বাকি গ্রেফতারকৃতদের বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।