বর্তমান সমাজে পরকীয়ার ঘটনা বেড়েই চলেছে। আর এই পরকীয়ার কারণে অনেক সুখের সংসারে বিচ্ছেদ হচ্ছে। এমনকি কিছু নারী এই পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে স্বামী সন্তান রেখে তার প্রেমিকের কাছে চলে যায়। এবার তেমনি এক পরকীয়া প্রেমিকার বাড়িয়ে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন এক প্রবাসীর স্ত্রী। জানা গেছে এই প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনেক দিন ধরেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল আহসান হাবীব নামের এক ব্যক্তির। আর এবার বিয়ের জন্য তাকে খুঁজছেন প্রবাসীর স্ত্রী।

বগুড়া শেরপুরের দুই সন্তান রেখে জহুরা আক্তার জুঁই নামের এক প্রবাসীর স্ত্রী স্বামীর দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে অনশন করছে। আজ বুধবার (৩১ মার্চ) সকালে মহিপুর বুড়িতলা এলাকায় আহসান হাবীবের বাড়িতে এ অনশন করছে। আহসান হাবীব মহিপুর বুড়িতলা আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে, সে পেশায় একজন যমুনা গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের স্টোর কিপার।

জানা যায়, গত ৬ বছর পূর্বে পৌর শহরের শান্তিনগর এলাকার জালাল শেখ এর মেয়ে ও মালয়েশিয়া প্রবাসী মনিরের স্ত্রী জহুরা আক্তার জুই সহ এক ছেলে এক মেয়ে রেখে মালয়েশিয়া যায় মনির। গত এক বছর পূর্বে মহিপুর বুড়িতলা এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে আহসান হাবীবের সাথে ইমোতে পরিচয় হয়। এরপর থেকে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। স্বামী বিদেশ থাকায় এক পর্যায়ে আহসান হাবিব বিয়ের প্রলোভন দিয়ে শা’’রী’’রি’’ক সম্পর্ক করে। গত ৯ মার্চ শান্তিনগর জুঁইয়ের বাড়িতে গিয়ে আবার শা’’রী’’রি’’ক সম্পর্ক করলে এ ঘটনা জানাজানি হয়। প’র’কী’য়া’র বিষয়টি প্রবাসী স্বামী মনির জানতে পেরে মালয়েশিয়া থেকে তার স্ত্রীকে তালাক দেয়। পরে জহুর আক্তার জুই আহসান হাবিব কে বিয়ে করতে চাপ সৃষ্টি করে। আহসান হাবিব বিয়ে করতে অস্বীকার করায় আজ বুধবার সকালে স্বামীর দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে অনশন করে। এতে বাড়িঘর তালা দিয়ে আহসান হাবিব ও তার পরিবার পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে জহুরা আক্তার জানান, আমাকে স্বামীর দাবি না দিলে আমি এখানে আ’ম’র’ণ অনশন করব।

এ বিষয়ে আহসান হাবীবের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি। এ ব্যাপারে শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত আবুল কালাম আজাদ জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই।

এদিকে, এই প্রবাসীর স্ত্রীর অনশন করার ঘটনা নিয়ে বর্তমানে বগুড়া শেরপুরে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। বর্তমানে এই প্রবাসীর স্ত্রী তার প্রেমিকার জন্য অনশন করছেন। তবে ইতিমধ্যে তার প্রেমিক বাসা থেকে পালিয়েছে। আর বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ এর মাধ্যমেই এমন পরকীয়ার ঘটনা বেড়ে চলেছে।