বিয়ের দাবিতে কলেজছাত্রী অনশন করেন এমন সংবাদ প্রায় সময় উঠে আসে। এবার তেমনি এক কলেজছাত্রী ইসলামিক রীতীতে বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন। জানা গেছে এই কলেজছাত্রী অনার্সে পড়ুয়া ছেলের সঙ্গে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেন। তবে তিনি এখনো স্ত্রীর মর্যাদা পাননি বলে জানান। আর এই কারণে তিনি ফের ইসলামিক রীতিতে বিয়ে করতে চান বলে অনশন করছেন। এই অনশনের ঘটনা ঘটেছে সাভারের বাজার রোডের কাজী মোকমাপাড়া এলাকায়।

অনার্সে পড়ুয়া ছেলের সঙ্গে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে হয়েছিল একাদশে শ্রেণির এক ছাত্রীর। তবে ইসলামিক রীতি অনুযায়ী বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা পাওয়ার দাবিতে অনশন করছেন ওই কলেজছাত্রী।

গত মঙ্গলবার রাতে সাভারের বাজার রোডের কাজী মোকমাপাড়া এলাকায় স্বামীর ভাড়া বাড়িতে এ অনশন করেন তিনি।

ওই কলেজছাত্রীর স্থানীয় আনোয়ারা গার্লস কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার স্বামী একই এলাকার রুমিন রায়হান খান মিরপুর বাংলা কলেজের অনার্সের ছাত্র।

বিয়ের নিকাহনামা অনুযায়ী, তাদের বিয়ের রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয় গত বছরের ১৫ মে। এরপর বিভিন্ন টালবাহানা করে নিজের পরিবারের কাছ থেকে বিয়ের কথা গোপন রাখেন স্বামী রুমিন। সরকারিভাবে রেজিস্ট্রি হলেও ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী এখনো বিয়ে হয়নি তাদের। বার বার বিয়ের কথা বললেও তাতে রাজি হননি রুমিন।

এ বিষয়ে রুমিন বলেন, ’দেড় মাস পর ছাড়া বউকে ঘরে তোলা সম্ভব নয়। দেড় মাস পর আমি তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে ঘরে তুলে নেব। এতো কিছুর প্রয়োজন নেই।’

সানজিদা বলেন, ’প্রথমদিকে আমার কোনো দাবি না মানলেও পরে তিনটি শর্ত দেয় রুমিন। রুমিনের প্রথম শর্ত- দেড় মাস পর বিয়ে হবে। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শর্ত- রুমিন অনার্স পড়াশোনা সম্পন্ন করবে এবং সে পর্যন্ত আমাকে নিজের বাড়িতে বাবা-ভাইয়ের কাছে থাকতে হবে। রুমিনের পরিবারের লোকজনও এই শর্তই জুড়ে দিয়েছেন।’

তবে দাবি না মানা পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম বলেন, ’এ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ সূত্র:ঢাকাটাইমস

উল্লেখ্য, এই কলেজছাত্রীর সঙ্গে ওই ছেলের অনেক আগে থেকেই সম্পর্ক ছিল। আর একটা সময় তারা রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেন। তবে তারা বিয়ে করলেও এখনো স্ত্রীর মর্যাদা পাননি এই কলেজছাত্রী। যার কারণে ইসলামিক রীতিতে আবারও বিয়ে করতে চান এই কলেজছাত্রী। আর তিনি ইসলামিক রীতিতে বিয়ে করার জন্য অনশন করছেন।