বাংলাদেশ জনবহুল ও উন্নয়নশীল একটি দেশ। এদেশে বর্তমান ক্ষমতাশীল দলের নেতারা দেশের সব কিছু লুটে খাচ্ছে। করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির সাথে যেন দেশে সকল অপরাধের চিত্র ফুঁটে উঠেছে। দেশে বার বার বাজেট পাশ হচ্ছে। বারছে সকল নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। আর এরই ফাঁকে জনগণের টাকা মেরে খাচ্ছে বর্তমান রাজনৈতিক দলগুলো। দেশে চুরি, লুট যেন বেড়েই চলছে। সম্রাট, পাপিয়া কান্ড, মানব পাচার, অর্থলুট, ব্যাংক জালিয়াতি, চাল চোর, তেল চোর সব যেন বাংলাদেশেই ভরা গেছে। দেশে বিদুৎ বিল যেন হয়ে গেছে ভুতরে। পানি বিল, গাড়ি ভাড়া সবই বেড়েছে নতুন বাজেটে। এসকল দূর্নীতি থেকে বাঁচতে ড. আসিফ নজরুল সকল ইউরোপ-আমেরিকার ভিসা বন্ধ করে দিতে বললেন। আসিফ নজরুল দেওয়া স্টাটাস হুবহু তুলে ধরা হল:

বাংলাদেশিদের জন্য আগামী ২০ বছর ইউরোপ-আমেরিকার ভিসা বন্ধ করে দিলে দেশে দুর্নীতি ৯৫% বন্ধ হয়ে যাবে। এটা আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি। যাদের সুযোগ আছে তাদের বেশিরভাগ মনে করে এই দেশটা প্রথমে দুধেল গাই, তারপরে ডাস্টবিন। আগে খেয়ে নেয়, তারপরে এখানে উচ্ছিষ্ট ফেলে চলে যায়। আর আমরা বিদ্যুত বিল বেশি দেব, পানির বিল বেশি দেব, গ্যাস বিল বেশি দেব, গাড়ি ভাড়া বেশি দেব। কেন বেশি দেব? ওরা যাতে লুটেপুটে খেতে পারে সেজন্য দেব। বছরের মধ্যে চৌদ্দবার সবকিছুর দাম বাড়বে। আমরা হাসপাতালে জায়গা পাবো না, রাস্তায় ঘুরে-ঘুরে মরতে হবে। তারা এই দেশটা চুষে খেয়ে নিজের সন্তানদের জন্য ইউরোপ-আমেরিকায় স্বপ্ন গড়ে। যদি সেই সুযোগ না থাকে তাহলে দুর্নীতি এমনিতেই কমে যাবে। আমি ভেবে দেখলাম, আমরা আমাদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করছি। কিসের পাপ জানেন? যুগের পর যুগ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করার পাপ। সবকিছু মেনে নেবার পাপ।


প্রসঙ্গত, ইউরোপ-আমেরিকার ভিসা বন্ধ করে দিলে দেশে দুর্নীতি ৯৫% বন্ধ হয়ে যাবে এমনটা মন্তব্য করেন ড. আসিফ নজরুল। দেশে যে হারে দুর্নীতি বাড়ছে তাতে দেশের বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে। সকল ক্ষমতাশীল দলের নেতারা টাকা পাচার করছে বিদেশে। সামন্য রোগে আক্রান্ত হলে পাড়ি জমাচ্ছে বিদেশে। দেশের সকল খাতে বেড়েছে অপরিমেয় দূর্নীতি। শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ, বিদুৎ, পানি সকলা বিভাগ লুটেপুটে খাচ্ছে রাজনৈতিক নেতারা। এযেন গরিবের রক্ত চুসে বড়লোক হওয়া।