দেশে আগের থেকে মাদ্রাসার সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এই সকল মাদ্রাসা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে অনেক ব্যক্তি দেশের বিভিন্ন সম্মানিত স্থানে রয়েছেন। এছাড়া বর্তমান সময়ে দেশের মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থা আগের থেকে অনেক উন্নতি হয়েছে। এদিকে, দেশের মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে দেশের অনেক সম্মানিত ব্যক্তি প্রায় সময় কথা বলে থাকেন। তেমনি এবার একটি টিভি অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কথা বলেছেন অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান। এ সময় তিনি মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থার ব্যাপক প্রশংসা করেন।

একটি টিভির টকশোতে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষার লোকেরা লেখাপড়া জানে না এমন প্রচারণা সঠিক নয়। বরং আমি চ্যালেঞ্জ করব আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ৫ জনও পাবেন না যে তাদের সঙ্গে (মাদ্রাসার শিক্ষক) যুক্তি-তর্কে পারবেন। মাদ্রাসা শিক্ষা গ্রহণ করে অনেক বরেণ্য ব্যক্তিত্ব হয়েছেন আমাদের দেশে ও উপ-মহাদেশে রয়েছে। তাদের জ্ঞানের ভান্ডার ব্যাপক।

হেফাজতের দাবি অনুযায়ী দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের মর্যাদা দেয়া নিয়ে বিতর্ক ওঠায় বেসরকারি টিভি চ্যানেল এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

তিনি বলেন, ইংরেজি সিলেবাস যেমন আন্তর্জাতিক, তেমনি মাদ্রাসার সিলেবাসও আন্তর্জাতিক। কওমী মাদ্রাসায় যা পড়ানো হয় সেটা ভারত, সউদী আরবে পড়ানো হয়। তারা মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় অনুসরণ করে। আসল কথা হচ্ছে এটা ধর্মীয় শিক্ষা। আপনি বিশ্ববিদ্যালয় যদি ধর্মতত্তে¡

আরবিতে এনে দিতে পারেন সেখানে মাদ্রাসাকে দিবেন না কেন? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর রুবায়েত ফেরদৌসের সঞ্চালনায় টকশোতে অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. তারেক শামসুর রেহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো উপ-ভিসি অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান, সাংবাদিক অজয় দাসগুপ্ত প্রমুখ।


এদিকে, দেশের মাদ্রাসার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আগের থেকে অনেকটা এগিয়ে চলেছে। এমনকি স্কুল কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থার থেকেও বর্তমানে মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা অনেক ভালো বলছেন অনেকে। আর এই কারণেই দেশে দিন দিন অনেক মানুষ মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকছে।