গত সপ্তাহে রাজধানী ঢাকা শহরে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে এখনো ব্যাপক আলোচনা চলছে। এই ঘটনার সাথে অভিযুক্তকে গ্রেফতরা করা হয়েছে। এদিকে দেশের অনেকে প্রশ্ন তুলছেন সন্তানদের দেখা শুনার জন্য বাবা-মা বর্তমানে কি ভূমিকা পালন করছেন। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় সময় কিশোরদের নিয়ে নানা রকম অভিযোগ উঠে আসে। আর এবার রাজধানী ঢাকা শহরের সেই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন আইজিপি।

’পরিবারের দায়িত্ব তার সন্তান কোথায় যায়, কী করে তার খোঁজ রাখা, নিয়ন্ত্রণ করা। দায়িত্ব না নিতে পারলে সন্তান জন্ম দিয়েছেন কেন?’ রাজধানীর কলাবাগানে মাস্টারমাইন্ড স্কুলশিক্ষার্থীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাটিকে পূর্ণাঙ্গ ক্রা/ই/ম উল্লেখ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ এ কথা বলেছেন।

আজ সোমবার র‌্যাব সদর দপ্তরে র‌্যাব সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন আইজিপি।

আইজিপি বলেন, ’কিশোরদের জেলে রাখা যাবে না, থানা হাজতে রাখা যাবে না, মোবাইল কোর্টে দেওয়া যাবে না। তাহলে আমরা তাদের রাখবো কোথায়? প্রভিশন অফিসার কতজন আমাদের, কোথায় তারা। অনেকেই জানেন না। এগুলো না হওয়া পর্যন্ত না আমরা কি বিচার করবো না? থেমে থাকবো? কিশোর গ্যাং কালচার প্রতিরোধে আমাদের সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আমাদের শিশু সংশোধনাগার বা কারেকশন সেন্টার করে দেন।’

তিনি আরও বলেন, ’বর্তমানে কিশোর গ্যাং একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা চাই না তারা অবৈধ জিনিস নিয়ে নষ্ট হয়ে যাক। বিষয়গুলোর প্রতি পরিবারের সচেতন হতে হবে। এটা আপনাদের দায়িত্ব। অভিভাবকদের দায়িত্ব নিতে হবে। এটা অভিভাবকের সামাজিক দায়িত্ব, ধর্মীয় দায়িত্ব।’

জেএসসি, এসএসসি মিলিয়ে ২৫ শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১ জানুয়ারি থেকে র‌্যাব সেবা সপ্তাহ শুরু হয়েছে। বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মাহফিল, র/ক্ত/দা/ন কর্মসূচি, শীত বস্ত্র বিতরণের মধ্য দিয়ে সপ্তাহ পালিত হয়েছে।


এদিকে, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রয় সময় অভিযোগ উঠে আসে কিশোরা নানা রকম খারাপ কাজের সাথে যুক্ত হয়। তবে এই সকল কিশোরদের সংশোধনের জন্য তার পরিবার কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তোলেন। দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোশোরদের সংশোধনের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে সকলে মনে করেন কিশোরদের সংশোধনের জন্য বাবা-মা সব থেকে বেশি ভূমিকা পালন করতে পারেন।