দেশে করোনা ভাইরাস দেখা দেওয়ার পর থেকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয় আর এই বন্ধের মেয়াদ কয়েক দফায় বৃদ্ধি করা হয়। এদিকে, দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রায় সময় আন্দোলন করছেন। এছাড়া দেশের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা এই বিষয়ে মুখ খুলছেন। দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ কেন এমন প্রশ্ন করে এবার মুখ খুললেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। আজ এক আলোচনা সভায় তিনি বেশ কিছু বক্তব্য দেন।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে সরকার উ’’ল্টে যে’তে পারে। এই সরকার একের পর এক ভু’ল করেই যাচ্ছে। এই ভুলের জন্য জাতির কী যে অবস্থা হবে বলা মু’শকিল। সম্প্রতি স্কুল দিয়েই শুরু করি- আজ শহরের সবকিছু খোলা, কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় এখনও বন্ধ। কিন্তু কারণটা কী?’

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয় পার্টি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ’ছাত্ররা আজ জনগণের কথা বলার লোক। মোস্তফা জামাল হায়দারসহ আপনারা যারা বিএনপি নেতা আছেন তারা ছাত্রদের পাশে দাঁড়ান। আপনারা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে বলতে পারছেন না, এই সপ্তাহেই স্কুল, কলেজ খুলে দিতে হবে? আপনারা কেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে পারলেন না, আপনাদের ঘু’’ম ভা’’ঙে না? আমি স্কুল কলেজ বন্ধের পক্ষে না, খোলার পক্ষে।’

সভার আরেক আলোচক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ’আজকে জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অপমান করার অ’পচেষ্টা হচ্ছে। এই অ’পচেষ্টা শুধু জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে নয় এটা দেশের মুক্তিযু’দ্ধ ও মুক্তিযো’দ্ধাদের বিরুদ্ধে অ’পচেষ্টা।’

এ সময় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য আহসান হাবীব লিংকন, নওয়াব আলী আব্বাস খান, আইনজীবী মজিবুর রহমান, রুহুল আমীন ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


এদিকে, আবারও দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। আর এই বন্ধের মেয়াদ বৃদ্ধি করায় বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করছে। শিক্ষার্থীরা সহ অনেকে বলছেন দেশের সকল কিছু খুলে দেওয়া হলেও কি কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। আর এই ইস্যুতে দেশের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা বর্তমানে মুখ খুলছেন।