গত ১২ বছর আগে বিডিআর বিদ্রোহের যে ঘটনা ঘটেছিল তা এখনো দেশবাসী ভুলতে পারেনি। আর সেদিন যে ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে এখনো দেশের অনেক মানুষ নানা রকম মন্তব্য করে থাকেন। সেদিনে যে সকল ব্যক্তিরা শহীদ হয়েছেন তাদের কবরে আজ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে অনেকে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলেছেন। তেমনি বাংলাদেশের এই আলোচিত ঘটনা নিয়ে কথা বলেছেন সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম।

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেছেন, কল্যাণ পার্টি ভবিষ্যতে যে কোনো রাজনৈতিক সুযোগ পেলে বা ক্ষমতার অংশিদার হলে, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার পুনঃতদন্ত ও পুনঃবিচার করবে। এই সরকারের অধীনে যে তদন্ত ও বিচার হয়েছে তা স্ষ্ঠুু হয়নি বলে মনে করে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি।

বৃহষ্পতিবার বনানী কবর স্থানে পিলখানায় নি’/’হ’/’ত ৫৭ জন শহীদ সেনা অফিসারের কবরে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

সৈয়দ ইবরাহিম বলেন, কল্যাণ পার্টি ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে এই দিনটিকে সরকারিভাবে শহীদ সেনা দিবস হিসেবে ঘোষণা করবে। ২০০৯ সালের ২৫ শে ফেব্রুয়ারী পিলখানায় সংগঠিত হ////ত্যা//কা//ন্ড//কে পূর্ব পরিকল্পিত বলে মনে করেন তিনি। এ সময় শহীদ সেনাদের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করেন দলটির নেতারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসান নাসির, কমডোর আরিফ মাহমুদ, কর্নেল মিয়া মুশিউজ্জামান, কর্নেল ইসহাক মিয়া, জনাব ফজল করীম, কর্নেল জাহাঙ্গীর আলম, লে.কমান্ডার সোহেল, লে. কমান্ডার ফায়সাল মেহেদী, মেজর হারুন, ড. এম এ বি সিদ্দিকি, ফরায়েজী, সোহেল মোল্লা, মাহমুদ খান, জাহিদ আবেদীন, জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ খোরশেদ ও আল আমিন ভুইয়া রিপন। সূত্র:মানবজমিন

এদিকে, বাংলাদেশের ইতিহাসে সব থেকে আলোচিত এই ঘটনার বিচার কাজ এখনো শেষ হয়নি। তবে কবে নাগাদ এই আলোচিত ঘটনার বিচার শেষ হবে তাও কেউ সঠিক ভাবে বলতে পারে না। আর এই ঘটনায় যারা শহীদ হয়েছেন তাদের পরিবার এখনো আশায় আছেন একদিন এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হবে।