প্রতি বছর রমজান উপলক্ষে সৌদি সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য নানা রকম উপহার দিয়ে থাকেন। তেমনি এ বছর বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য দেশটি বিশেষ উপহার পাঠিয়েছে। আর এবার এই উপহার হিসেবে দেশটি বাংলাদেশ খেজুর দিল। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে এই খেজুর হস্তান্তর করা হয়। এই খেজুর দেশের অসহায় মানুষদের দেওয়া হবে। এবার এই সম্পর্কে বিস্তারিত সংবাদ প্রকাশ পেল।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীনের কাছে সৌদি সরকারের প্রতিনিধি বাংলাদেশস্থ সৌদি আরব রাষ্ট্রদূতের পক্ষে ইসলামিক এফেয়ার্সের দায়িত্বশীল প্রধান আহমেদ বিন হাসান হামাদি এই খেজুর হস্তান্তর করেন‌ ।

হস্তান্তর অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন বলেন, আসন্ন রমজানে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ইফতার সামগ্রীর অংশ হিসেবে বিতরণের জন্য সৌদি সরকার বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে বাংলাদেশকে দুই হাজার কার্টুন খেজুর প্রদান করেছে। সৌদি আরব আমাদের অত্যন্ত ভ্রাত্রিপ্রতিম একটি দেশ । এছাড়া মুসলমান হিসেবে তাদের সাথে আমাদের সম্পর্কটা ভিন্ন।

সচিব আরো বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই ৪০ মেট্রিকটন খেজুর, যারা ইফতারের সময় খেজুর কিনতে পারে না এধরনের জনগণের কাছে পৌছানোর জন্য আমরা জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠাবো। আমরা চাচ্ছি যাতে রোজার প্রথম দিন থেকেই এই খেজুর দিয়ে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠি ইফতার করতে পারেন। আমরা জেলা প্রশাকদের বলবো যারা খেজুর কিনতে অসমর্থ তাদের মাঝে যেন এই খেজুর বিতরণ করা হয়।

হামাদি বলেন, আপনারা সকলেই জানেন সৌদি আরবের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত ভ্রাতৃত্বপূর্ণ। এই সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নেয়ার জন্য সৌদি সরকার অান্তরিক। তার নিদর্শন স্বরূপ সামান্য কিছু খেজুর আজকে আমরা

রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকে আমি আহমেদবিন হাসান হামাদি ইসলামিক এফেয়াসের দায়িত্বশীল প্রধান হিসেবে অফিসিয়ালি এই খেজুর হস্তান্তর করলাম। এখানে উপস্থিত হতে পেরে আমি আনন্দিত ও নিজেকে ধন্য মনে করছি’। সূত্র:amadershomoy


উল্লেখ্য, সৌদি সরকার এর আগেও বাংলাদেশে প্রায় সময় উপহার পাঠিয়েছে। তবে রমজান মাস এলেই দেশটি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য নানা রকম উপহার পাঠান। তেমনি এবার এই বিপুল পরিমাণ খেজুর পাঠিয়েছে দেশটি। এই খেজুর দেশের বিভিন্ন স্থানের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌছে দেওয়া হবে বলে জাননো হয়। এতে করে রমজানের শুরু থেকেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বড় রকমের উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।