বাংলাদেশের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রাব্বানী। বাংলাদেশের ক্ষমতাশীন রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগের বিশেষ অঙ্গ রাজনৈতিক সংগঠন হচ্ছে ছাত্রলীগ। আর এ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হল রাব্বানী। নানা দূর্নীতির কারণে তার বহাল পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু তিনি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে থাকা অবস্থায় ডাকসু নির্বাচনে জয় লাভ করে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ছাত্র সংসদের দায়িত্ব পালন করেন। তার ছাত্র সংসদের মেয়াদ শেষ। এবং তিনি ডাকসুর পদ ছাড়ার ঘোষণা দিলেন নিজেই।

ঢাকসু’র গঠনতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তিনি। সোমবার (২২ জুন) রাতে সংবাদ মাধ্যমকে গোলাম রব্বানী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রাব্বানী বলেন, নির্ধারিত মেয়াদের অতিরিক্ত ১ মিনিটও পদে থাকতে চাই না।

তিনি বলেন, করোনা দুর্যোগকালীন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যেহেতু আমাদের ৩৬৫ দিনের বৈধ মেয়াদের আগেই অর্থাৎ ১৮ মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম বন্ধ। তাই আমাদের অসমাপ্ত কাজ, বিশেষ করে, মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে সহায়তা এবং ডাকসুর শিক্ষার্থী সহায়তা ফান্ডে আমার ব্যক্তিগত কন্টিনজেন্সি ফান্ডের অর্থসহ ডাকসুর অব্যবহৃত বাজেটের টাকা হস্তান্তরের মাধ্যমে অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীকে মানবিক সহায়তা প্রদান করতে চাই। আর অবশ্যই চাই, ডাকসু নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ামাত্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে পরবর্তী নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে হবে। ২৮ বছরের অচলায়তন ভেঙে সচল হওয়া ডাকসুকে আর অচল দেখতে চাই না।

রাব্বানী বলেন, তিনি বলেন, করোনা দুর্যোগের জন্য যে সাড়ে তিন মাস আমরা কাজ করতে পারিনি, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সে সময়টুকু আমাদের প্রাপ্য, আর সেই সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরবর্তী নির্বাচনও আয়োজন করে ফেলতে পারবে। তাহলে ডাকসুর গঠনতন্ত্র (৬ এর গ ধারা) মেনেই আমরা নতুন নেতৃত্বের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে পারবো।

তিনি আরও বলেন, এটুকু শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আমাদের যৌক্তিক দাবি। সম্মানিত উপাচার্য মহোদয় ডাকসুর কমিটি ভেঙে দিয়েও যদি উক্ত দাবি মেনে নেন, আমার কোনো আপত্তি নেই।সম্পাদনা :


প্রসঙ্গত, এবার ডাকসুর পদ ছাড়ার ঘোষণা দিলেন গোলাম রব্বানী, বললেন ১ মিনিটও বেশি থাকতে চাই না পদে। কিন্ত করোনা সংক্রমণের কারণে সারা দেশ অচল পড়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। যার কারণে কিছু অসমাপ্ত কাজ, বিশেষ করে, মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে সহায়তা এবং ডাকসুর শিক্ষার্থী সহায়তা ফান্ডে করতে বাকি আছে। তার জন্য নতুন নির্বাচন পর্যন্ত পদ বহাল রাখতে চান।